পসরা / লেখা / আবেগ, নিরাপত্তা ও অনলাইন
আবেগ, নিরাপত্তা ও অনলাইন
নিজের শরীরের সীমা ও সম্মতি কীভাবে বুঝব?
শিশুর শরীর তার নিজের; স্বাচ্ছন্দ্য, ব্যক্তিগত পরিসর ও সাহায্য চাওয়ার অধিকার গুরুত্বপূর্ণ।
সম্মতি মানে স্বেচ্ছায়, বুঝে ও চাপ ছাড়া রাজি হওয়া। কেউ না বললে, চুপ থাকলে বা অস্বস্তি দেখালে থামতে হয়। নিরাপদ পরিচর্যার প্রয়োজন আলাদা হতে পারে, কিন্তু বড়দের উচিত কারণ বুঝিয়ে, শিশুর মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষা করে কাজ করা।
সহজ করে ধারণাটি
সম্মতি মানে স্বেচ্ছায়, বুঝে ও চাপ ছাড়া রাজি হওয়া। কেউ না বললে, চুপ থাকলে বা অস্বস্তি দেখালে থামতে হয়। নিরাপদ পরিচর্যার প্রয়োজন আলাদা হতে পারে, কিন্তু বড়দের উচিত কারণ বুঝিয়ে, শিশুর মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষা করে কাজ করা।
শিশুর নিরাপত্তার দায়িত্ব বড়দের। কোনো গোপনীয়তার নামে কেউ শরীর ছুঁতে, ছবি চাইতে বা ভয় দেখাতে বললে তা শিশুর দোষ নয়; বিশ্বস্ত বড়কে বলা জরুরি।
একটি পরিচিত উদাহরণ
খেলায় আলিঙ্গনের আগে “তুমি কি চাও?” জিজ্ঞেস করো; না শুনলে অন্য অভিবাদন বেছে নাও।
নিজে দেখে শেখো
বিশ্বস্ত তিনজন বড়ের নাম ও জরুরি যোগাযোগ লিখে রাখো। বিপদে থাকলে নিরাপদ স্থানে যাও এবং সাহায্য চাও; এটি স্থানীয় সুরক্ষা-সেবার বিকল্প নয়।
সংক্ষেপে কিছু প্রশ্ন
বন্ধু চুপ থাকলে কি তাকে রাজি ধরে নেব?
না। পরিষ্কারভাবে রাজি হওয়া দরকার; দ্বিধা, নীরবতা বা চাপ সম্মতি নয়।