পসরাজ্ঞানের পসরা

পসরা / লেখা / আবেগ, নিরাপত্তা ও অনলাইন

আবেগ, নিরাপত্তা ও অনলাইন

বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়া হলে মিটমাট করব কীভাবে?

২ মিনিট পড়া · হালনাগাদ

বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়া হলে মিটমাট করব কীভাবে? বিষয়ের রঙিন ধারণাচিত্র

ঝগড়া হলেই বন্ধুত্ব শেষ হয় না; তবে নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা দরকার।

দুজন শান্ত হলে পালা করে কথা বলো, অপরজনের কথা মাঝপথে থামিও না, নিজের কাজের দায় নাও এবং কীভাবে ঠিক করা যায় জিজ্ঞেস করো। “তুমি খারাপ” না বলে “তুমি আমার জিনিস না বলে নিলে আমি বিরক্ত হয়েছি” বলা নির্দিষ্ট আচরণ বোঝায়।

সহজ করে ধারণাটি

দুজন শান্ত হলে পালা করে কথা বলো, অপরজনের কথা মাঝপথে থামিও না, নিজের কাজের দায় নাও এবং কীভাবে ঠিক করা যায় জিজ্ঞেস করো

দুজন শান্ত হলে পালা করে কথা বলো, অপরজনের কথা মাঝপথে থামিও না, নিজের কাজের দায় নাও এবং কীভাবে ঠিক করা যায় জিজ্ঞেস করো। “তুমি খারাপ” না বলে “তুমি আমার জিনিস না বলে নিলে আমি বিরক্ত হয়েছি” বলা নির্দিষ্ট আচরণ বোঝায়।

দুঃখিত বলা তখনই অর্থবহ যখন আচরণ বদলায়। অপরজন ক্ষমা গ্রহণে প্রস্তুত নাও হতে পারে; তাকে সময় দিতে হবে। বারবার অপমান, ভয় দেখানো বা মারধর সাধারণ ঝগড়া নয়।

একটি পরিচিত উদাহরণ

“পেন্সিল ফেরত না দেওয়া” কাল্পনিক ঘটনায় দুই পক্ষের কথা লিখে এমন সমাধান বানাও যাতে পেন্সিল ফেরে এবং পরেরবার অনুমতি নে…

“পেন্সিল ফেরত না দেওয়া” কাল্পনিক ঘটনায় দুই পক্ষের কথা লিখে এমন সমাধান বানাও যাতে পেন্সিল ফেরে এবং পরেরবার অনুমতি নেওয়া হয়।

নিজে দেখে শেখো

ধমক বা সহিংসতা থাকলে একা মেটানোর চেষ্টা না করে শিক্ষক/বিশ্বস্ত বড়কে বলো

ধমক বা সহিংসতা থাকলে একা মেটানোর চেষ্টা না করে শিক্ষক/বিশ্বস্ত বড়কে বলো।

সংক্ষেপে কিছু প্রশ্ন

ক্ষমা চাইলে কি অন্যজনকে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমা করতেই হবে?

না। দুজনই নিজের অনুভূতির সময় নিতে পারে; নিরাপত্তা ও আচরণ সংশোধন জরুরি।

এবার নিজে নেড়ে দেখো

এবার হাতে-কলমে

এই পড়া থেকে পরের ধাপে যাও

লেখায় ধারণাটা বুঝে নাও, তারপর পসরা ভুবনে বিষয়টি খুঁজে দেখো বা কাছের আরেকটি বিষয় শেখো।

← সব লেখা · আবেগ, নিরাপত্তা ও অনলাইন ভুবনে যাও

হোয়াটসঅ্যাপ