পসরাজ্ঞানের পসরা

পসরা / লেখা / ঋতু, নদী ও দুর্যোগ

ঋতু, নদী ও দুর্যোগ

মেঘ থেকে বৃষ্টি নামে কীভাবে?

২ মিনিট পড়া · হালনাগাদ

মেঘ থেকে বৃষ্টি নামে কীভাবে? বিষয়ের রঙিন ধারণাচিত্র

মেঘ তুলোর মতো কঠিন কিছু নয়; বাতাসে ভাসা ক্ষুদ্র জলকণা বা বরফকণার সমষ্টি।

সূর্যের তাপে পানি বাষ্প হয়ে বাতাসে ওঠে। উপরে ঠান্ডা হলে জলীয় বাষ্প ক্ষুদ্র কণায় ঘনীভূত হয়, মেঘ তৈরি হয়। কণাগুলো মিলতে ও বড় হতে থাকলে এমন আকারে পৌঁছায় যে বাতাসে ভেসে থাকা কঠিন হয়; তখন বৃষ্টি বা অন্য ধরনের বর্ষণ নামে।

সহজ করে ধারণাটি

সূর্যের তাপে পানি বাষ্প হয়ে বাতাসে ওঠে

সূর্যের তাপে পানি বাষ্প হয়ে বাতাসে ওঠে। উপরে ঠান্ডা হলে জলীয় বাষ্প ক্ষুদ্র কণায় ঘনীভূত হয়, মেঘ তৈরি হয়। কণাগুলো মিলতে ও বড় হতে থাকলে এমন আকারে পৌঁছায় যে বাতাসে ভেসে থাকা কঠিন হয়; তখন বৃষ্টি বা অন্য ধরনের বর্ষণ নামে।

সব মেঘ থেকে বৃষ্টি হয় না। বাতাসের তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, মেঘের উচ্চতা ও কণার বৃদ্ধি বর্ষণ হবে কি না প্রভাবিত করে। মেঘের রং একা বৃষ্টির নিশ্চয়তা দেয় না।

একটি পরিচিত উদাহরণ

স্বচ্ছ গ্লাসে গরম পানি ঢেলে মুখে ঠান্ডা ধাতব ঢাকনা রাখলে নিচে ছোট জলবিন্দু তৈরি হতে পারে

স্বচ্ছ গ্লাসে গরম পানি ঢেলে মুখে ঠান্ডা ধাতব ঢাকনা রাখলে নিচে ছোট জলবিন্দু তৈরি হতে পারে। এটি ঘনীভবনের ক্ষুদ্র মডেল, পুরো মেঘের গঠন নয়।

নিজে দেখে শেখো

গরম পানি ব্যবহারে বড়দের সাহায্য নাও; গ্লাসে মুখ দিও না

গরম পানি ব্যবহারে বড়দের সাহায্য নাও; গ্লাসে মুখ দিও না। বর্ষার দিনে মেঘের ছবি ও বৃষ্টির সময় লিখে তুলনা করো।

সংক্ষেপে কিছু প্রশ্ন

মেঘ সাদা বা কালো দেখায় কেন?

সূর্যালোকের বিচ্ছুরণ ও মেঘে পানির পরিমাণ-ঘনত্বের কারণে রং বদলে দেখা যায়; গাঢ় দেখালেই নিশ্চিত বৃষ্টি হবে এমন নয়।

এবার নিজে নেড়ে দেখো

এবার হাতে-কলমে

এই পড়া থেকে পরের ধাপে যাও

লেখায় ধারণাটা বুঝে নাও, তারপর পসরা ভুবনে বিষয়টি খুঁজে দেখো বা কাছের আরেকটি বিষয় শেখো।

← সব লেখা · ঋতু, নদী ও দুর্যোগ ভুবনে যাও

হোয়াটসঅ্যাপ