পসরা / লেখা / গ্রহ, চাঁদ ও তারা
গ্রহ, চাঁদ ও তারা
ধূমকেতু, গ্রহাণু ও উল্কার পার্থক্য কী?
আকাশে আলোর রেখা দেখলে অনেকে বলেন “তারা খসে পড়ল”। সেটি সাধারণত তারা নয়; বায়ুমণ্ডলে ঢোকা ছোট মহাজাগতিক কণা।
গ্রহাণু সাধারণত পাথর বা ধাতুর ছোট মহাকাশবস্তু। ধূমকেতুতে বরফ, ধুলো ও পাথর থাকে এবং সূর্যের কাছে এলে গ্যাস-ধুলোর লেজ দেখা যেতে পারে। মহাকাশে থাকা ছোট খণ্ডকে উল্কাখণ্ড বলা হয়; বায়ুমণ্ডলে জ্বলে ওঠার আলোর রেখা উল্কা, আর মাটিতে পৌঁছানো অংশ উল্কাপিণ্ড।
সহজ করে ধারণাটি
গ্রহাণু সাধারণত পাথর বা ধাতুর ছোট মহাকাশবস্তু। ধূমকেতুতে বরফ, ধুলো ও পাথর থাকে এবং সূর্যের কাছে এলে গ্যাস-ধুলোর লেজ দেখা যেতে পারে। মহাকাশে থাকা ছোট খণ্ডকে উল্কাখণ্ড বলা হয়; বায়ুমণ্ডলে জ্বলে ওঠার আলোর রেখা উল্কা, আর মাটিতে পৌঁছানো অংশ উল্কাপিণ্ড।
এই নামগুলো বস্তুটি কোথায় আছে এবং কী দিয়ে তৈরি, তা বোঝায়। ধূমকেতুর লেজ সূর্য থেকে দূরে পিছনে পড়ে থাকে এমন নয়; সৌরবায়ু ও আলো গ্যাস-ধুলাকে সূর্য থেকে বাইরের দিকে ঠেলে দেয়।
একটি পরিচিত উদাহরণ
রাতে দ্রুত ছুটে যাওয়া আলোর রেখা দেখলে সেটি বায়ুমণ্ডলে জ্বলা উল্কা হতে পারে। স্থায়ী লেজওয়ালা ধূমকেতু সাধারণত একই রাতের ছোট ঝলকের মতো নয়।
নিজে দেখে শেখো
পরেরবার রাতের আকাশ দেখলে বস্তুটির গতির সময়, উজ্জ্বলতা এবং স্থায়িত্ব লিখে রাখো। একটি পর্যবেক্ষণ থেকেই নিশ্চিত পরিচয় সব সময় দেওয়া যায় না।
সংক্ষেপে কিছু প্রশ্ন
উল্কা কি তারা?
না। তারা অনেক দূরের নিজস্ব আলোওয়ালা নক্ষত্র। উল্কা হলো বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে জ্বলে ওঠা ছোট মহাকাশখণ্ডের দৃশ্য।