ভুবন / গণিত
ভুবন · Math
গণিত
সংখ্যা থেকে যুক্তি
খোঁজার খেলা শেষ
★★★
দারুণ!
গোল ছবিগুলোয় ক্লিক করো · টেনে ঘোরাও · খুলে দেখো টানো
বিভাগ ০১
সংখ্যা
পর্দায়স্লাইডার টানলে সংখ্যা বদলায় - একক, দশক, শতক ব্লক আকারে সাজিয়ে দেখা যায়।
নিচের যেকোনোটিতে ক্লিক করো - ডানে তার পুরো কথা খুলবে
এই ভুবনে তোমার যাত্রা সবে শুরু।
সবকিছু এক জায়গায়
গণিত ভুবনের পুরো তালিকা
৯টি বিভাগ, ৭৭টি বিষয়। নিচের যেকোনো শিরোনামে চাপলে সংক্ষিপ্ত লেখাটা খুলবে। পুরো লেখা আর তিনটি গভীরতা উপরের অন্বেষকে।
অন্য ভুবন: মহাকাশ পদার্থবিজ্ঞান রসায়ন উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ প্রকৃতি ও পরিবেশ খাদ্য ও পুষ্টি ব্যবসা ও টাকা ম্যানেজমেন্ট ভাষা সামাজিক দক্ষতা বিজ্ঞান ও আবিষ্কার
বিভাগ ০১সংখ্যা
স্লাইডার টানলে সংখ্যা বদলায় - একক, দশক, শতক ব্লক আকারে সাজিয়ে দেখা যায়।
০ ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯অঙ্ক০–৯
মাত্র ১০টি চিহ্ন দিয়ে সব সংখ্যা লেখা হয়: ০ ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯। এগুলোকে অঙ্ক বলা হয়।
মজার তথ্যবাংলা সংখ্যার নিজস্ব আকার আছে, যা অন্য কোনো ভাষার সংখ্যার মতো নয়।
গণনা ১–১০০গোনা১–১০০
এক থেকে একশো পর্যন্ত গুনতে পারো: ১, ২, ৩ ... ৯৯, ১০০।
মজার তথ্যএকশোর বাংলা হলো একশো, যা দোকানদাররা খুব ব্যবহার করেন।
স্থানীয় মানএকক/দশকজায়গার মান
৪৭ মানে ৪টি দশক আর ৭টি একক মিলিয়ে সাতচল্লিশ।
মজার তথ্যশূন্য (০) সঠিক ঘরে বসলেই সংখ্যা দশ গুণ বেড়ে যায়!
জোড় ও বিজোড়জোড়/বিজোড়২ দিয়ে ভাগ
জোড় সংখ্যা: ২, ৪, ৬, ৮। বিজোড়: ১, ৩, ৫, ৭।
মজার তথ্যশূন্য (০) আসলে একটি জোড় সংখ্যা।
বড়-ছোট তুলনাবড়/ছোট/সমান> < =
দুটি সংখ্যা দেখিয়ে বলো কোনটা বেশি আর কোনটা কম।
মজার তথ্যমুখ খোলা দিকটা সবসময় বড় সংখ্যার দিকে থাকে।
ক্রমবাচকক্রমপ্রথম/দ্বিতীয়
লাইনে দাঁড়ালে সবার আগেই প্রথম, তারপর দ্বিতীয়, তৃতীয়।
মজার তথ্যদৌড় শেষে সবাই গর্ব করে বলে "আমি প্রথম"!
ঋণাত্মক সংখ্যামাইনাসশূন্যের নিচে
শূন্যের চেয়ে ছোট সংখ্যাও থাকে। −৫ মানে শূন্যের পাঁচ ধাপ নিচে।
মজার তথ্যসাইবেরিয়ায় শীতে তাপমাত্রা প্রায় −৪০° পর্যন্ত নেমে যায়।
রোমান সংখ্যাI V Xপুরোনো পদ্ধতি
রোমানরা সংখ্যা লিখত কয়েকটি অক্ষরে: I মানে ১, II মানে ২, III মানে ৩।
মজার তথ্যপুরোনো ঘড়ির মূল্যায়ন বা বইয়ের অধ্যায়ের সংখ্যা আজও রোমান নিয়মে লেখা হয়।
বিভাগ ০২চার প্রক্রিয়া
একই সংখ্যা-ব্লক মডেল - স্লাইডার টেনে সংখ্যা বদলে বদলে যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগ নিয়ে ভাবো।
যোগযোগ+
যোগ মানে দুটো দলকে একসাথে মিলিয়ে মোট কত হলো, তা বের করা। ৩টা আম + ২টা আম = ৫টা আম।
মজার তথ্যবাজারে দরদাম করার সময় মনে মনে যোগ করাই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অঙ্ক।
বিয়োগবিয়োগ−
বিয়োগ মানে একটা দল থেকে কিছু বাদ দিলে কত বাকি থাকে। ৫টা লজেন্স থেকে ২টা খেলে বাকি থাকে ৩টা।
মজার তথ্যদোকানে ফেরত টাকা গোনার পুরোটাই আসলে বিয়োগের হিসাব।
গুণগুণ×
গুণ মানে একই সংখ্যা বারবার যোগ করার সংক্ষিপ্ত রাস্তা। ৩ বাক্সে ৪টা করে বল মানে ৩×৪ = ১২টা বল।
মজার তথ্যদাবার বোর্ডে প্রতি ঘরে চাল দ্বিগুণ করে গেলে শেষ ঘরে সংখ্যাটা কোটি কোটি ছাড়িয়ে যায়!
ভাগভাগ÷
ভাগ মানে একটা জিনিসকে কয়েকজনের মধ্যে সমান সমান ভাগ করে দেওয়া। ১২টা চকলেট ৩ জনে ভাগ করলে জনপ্রতি ৪টা।
মজার তথ্যপিৎজা কাটার সময় সবাই না বুঝেই ভাগের অঙ্ক কষে ফেলে।
হাতে রাখাহাতে রাখাযোগে বহন
দুই অঙ্কের যোগে একঘরের যোগফল ৯-এর বেশি হলে, বাড়তি অংশ পাশের ঘরে "হাতে" রাখতে হয়।
মজার তথ্যবাজারের হিসাবরক্ষকরা কাগজ ছাড়াই এই "হাতে রাখা" মনে মনে করে ফেলেন।
ধার করাধার করাবিয়োগে ধার
দুই অঙ্কের বিয়োগে উপরের অঙ্ক নিচেরটার চেয়ে ছোট হলে, পাশের ঘর থেকে "ধার" নিতে হয়।
মজার তথ্যধার করা আর ফেরত দেওয়া, দুটোই আসলে একই ভাগ্য-বদল খেলা - স্থান বদল করে সংখ্যা সাজানো।
নামতা ১–২০নামতা১–২০
নামতা হলো এক থেকে বিশ পর্যন্ত প্রতিটি সংখ্যার গুণের তালিকা, যেমন ৫-এর নামতা: ৫,১০,১৫,২০...
মজার তথ্যভারতীয় উপমহাদেশে ঐতিহ্যগতভাবে ২০ পর্যন্ত নামতা মুখস্থ করানো হয়, বেশিরভাগ দেশে থামে ১০-এ।
ভাগশেষভাগশেষসমান ভাগ হয় না
সব সময় জিনিস সমান সমান ভাগ হয় না। যা বাকি থেকে যায়, তার নাম ভাগশেষ। ৭টা চকলেট ২ জনে ভাগ করলে জনপ্রতি ৩টা, বাকি থাকে ১টা।
মজার তথ্যসপ্তাহের বার বের করতে বড় সংখ্যাকে ৭ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষ দেখা হয়।
ক্রম (BODMAS)BODMASক্রম
একই অঙ্কে যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগ একসাথে থাকলে, কোনটা আগে করবে তার একটা নিয়ম আছে।
মজার তথ্যক্যালকুলেটরও এই একই নিয়ম মেনেই হিসাব করে, তাই ২+৩×৪ টাইপ করলে ১৪-ই দেখায়, ২০ নয়।
বিভাগ ০৩ভগ্নাংশ ও দশমিক
স্লাইডার টানলে বৃত্তের কয়েকটা টুকরো বাইরে সরে আসে - কতটুকু অংশ বোঝা যায়।
অর্ধেক১/২দুই সমান ভাগ
একটা জিনিসকে দুই সমান ভাগে ভাগ করলে প্রতি ভাগকে বলে অর্ধেক, লেখা হয় ১/২।
মজার তথ্যফুটবল ম্যাচের অর্ধেক সময়কেই তাই বলা হয় "প্রথমার্ধ" আর "দ্বিতীয়ার্ধ"।
এক-তৃতীয়াংশ১/৩তিন সমান ভাগ
একটা জিনিসকে তিন সমান ভাগে ভাগ করলে প্রতি ভাগকে বলে এক-তৃতীয়াংশ, লেখা হয় ১/৩।
মজার তথ্যতিন বন্ধু মিলে একটা পিৎজা ভাগ করার সবচেয়ে সহজ অঙ্কটাই আসলে এক-তৃতীয়াংশ।
সমতুল ভগ্নাংশসমতুলএকই মান, ভিন্ন রূপ
১/২ আর ২/৪ দেখতে আলাদা হলেও আসলে একই পরিমাণ বোঝায় - এদের বলে সমতুল ভগ্নাংশ।
মজার তথ্যএক কাপ পানির অর্ধেক আর দুই কাপ পানির চার ভাগের দুই ভাগ - দুটোই একই পরিমাণ পানি।
তুলনাবড়/ছোটকোনটা বেশি
দুটো ভগ্নাংশের মধ্যে কোনটা বড়, তা বোঝার জন্য হর সমান করে নিতে হয়।
মজার তথ্যহর যত ছোট, প্রতিটি ভাগ তত বড় - এই একটা কথা মনে রাখলেই বেশিরভাগ তুলনা সহজ হয়ে যায়।
যোগ-বিয়োগযোগ-বিয়োগএকই হর লাগে
দুটো ভগ্নাংশ যোগ বা বিয়োগ করতে হলে আগে হর সমান করে নিতে হয়।
মজার তথ্যরেসিপিতে "আধা কাপ" আর "চার ভাগের এক কাপ" মেশানোর সময় রাঁধুনিরা না বুঝেই এই যোগ করে ফেলেন।
দশমিকদশমিক০.৫
দশমিক হলো ভগ্নাংশ লেখার আরেকটা উপায় - একটা বিন্দু ব্যবহার করে। ০.৫ মানে অর্ধেক, অর্থাৎ ১/২।
মজার তথ্যদোকানের মূল্য তালিকায় "১৫.৫০ টাকা" লেখাটাই আসলে একটা দশমিক ভগ্নাংশ।
শতকরা%একশোর ভাগ
শতকরা মানে একশো ভাগের কত ভাগ। ৫০% মানে একশোর মধ্যে পঞ্চাশ, অর্থাৎ অর্ধেক।
মজার তথ্যদোকানের "৫০% ছাড়" মানে দাম ঠিক অর্ধেক হয়ে যাওয়া - অনেকে এটা বোঝে না বলে ভালো দরদাম মিস করে ফেলে।
অনুপাতঅনুপাত:
অনুপাত বলে দুটো জিনিসের পরিমাণ একটার সাথে আরেকটা কেমন। ২ জন ছেলে আর ৩ জন মেয়ে হলে অনুপাত ২:৩।
মজার তথ্যরান্নার রেসিপিতে "২ কাপ চাল, ৩ কাপ পানি" লেখাটাই একটা অনুপাত - মানুষ বাড়ালে দুটোই একই হারে বাড়াতে হয়।
বিভাগ ০৪জ্যামিতি
স্লাইডার টানলে একেকটা থ্রিডি আকৃতি ঘুরে সামনে আসে - বাকিগুলো পাশে ভাসতে থাকে।
বিন্দুবিন্দুঅবস্থান
বিন্দু হলো জ্যামিতির সবচেয়ে ছোট অংশ - শুধু একটা জায়গা দেখায়, এর কোনো দৈর্ঘ্য বা আকার নেই।
মজার তথ্যমানচিত্রে একটা শহরকে দেখানো হয় একটা বিন্দু দিয়ে - পুরো শহরটা আসলে বিন্দুর চেয়ে অনেক বড়, কিন্তু বোঝাতে বিন্দুই যথেষ্ট।
রেখারেখাদুই দিকে অসীম
রেখা হলো সোজা পথ যা দুই দিকেই অনন্তকাল ধরে চলতে থাকে, কখনো শেষ হয় না।
মজার তথ্যরেললাইনের দুটো লাইন সবসময় সমান দূরত্বে থাকে বলেই ট্রেন পিছলে যায় না - এটাই সমান্তরাল রেখার আসল ব্যবহার।
কোণকোণডিগ্রি
দুটো রেখা এক বিন্দুতে মিললে যে ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়, তাকে কোণ বলে। কোণ মাপা হয় ডিগ্রিতে।
মজার তথ্যফুটবলে কর্নার কিক নেওয়ার কোণ বদলালেই বলের গতিপথ পুরোপুরি বদলে যায় - খেলোয়াড়রা না জেনেই কোণের হিসাব কষে ফেলেন।
ত্রিভুজত্রিভুজ৩ বাহু
তিনটে সরলরেখা দিয়ে ঘেরা আকৃতিকে ত্রিভুজ বলে - এর তিনটে বাহু, তিনটে কোণ।
মজার তথ্যপিরামিড, ছাদের কাঠামো, ব্রিজের বিম - সবখানে ত্রিভুজ ব্যবহার হয় কারণ এটাই একমাত্র আকৃতি যা ঠেলা দিলেও আকার বদলায় না।
চতুর্ভুজচতুর্ভুজ৪ বাহু
চারটে সরলরেখা দিয়ে ঘেরা আকৃতিকে চতুর্ভুজ বলে - বর্গ, আয়ত, রম্বস সবই চতুর্ভুজের রকমফের।
মজার তথ্যক্রিকেট মাঠের পিচ, দরজা, বই - প্রতিদিনের আশেপাশে সবচেয়ে বেশি দেখা আকৃতিই আয়তক্ষেত্র।
বৃত্তবৃত্তকেন্দ্র
একটা বিন্দু থেকে সবসময় সমান দূরত্বে থাকা সব বিন্দু মিলিয়ে যে গোল আকৃতি হয়, তাকে বৃত্ত বলে।
মজার তথ্যচাকা গোল বলেই গাড়ি মসৃণভাবে চলে - কেন্দ্র থেকে সব দিকে সমান দূরত্ব থাকায় চাকা ঘুরলে উচ্চতা কখনো ওঠানামা করে না।
বহুভুজবহুভুজঅনেক বাহু
তিন বা তার বেশি সরলরেখা দিয়ে ঘেরা যেকোনো বন্ধ আকৃতিকে বহুভুজ বলে - ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, পঞ্চভুজ সবই বহুভুজ।
মজার তথ্যমৌচাকের প্রতিটি কুঠুরি ষড়ভুজ আকৃতির - এই আকৃতি সবচেয়ে কম মোম দিয়ে সবচেয়ে বেশি জায়গা ধরে রাখতে পারে।
প্রতিসাম্যপ্রতিসাম্যআয়না
একটা আকৃতিকে ঠিক মাঝখান দিয়ে ভাঁজ করলে যদি দুই পাশ পুরোপুরি মিলে যায়, তাকে প্রতিসম বলে।
মজার তথ্যতাজমহলের সামনের দিকটা প্রায় নিখুঁত প্রতিসম করে বানানো হয়েছিল, যাতে দুই পাশ আয়নার মতো একরকম দেখায়।
ঘনকঘনক৩ডি
ঘনক হলো একটা ত্রিমাত্রিক (৩ডি) আকৃতি, যার ছয়টা পৃষ্ঠই সমান বর্গাকার - যেমন একটা পাশা বা রুবিক্স কিউব।
মজার তথ্যচিনির কিউব, বরফের কিউব - ছোট এই জিনিসগুলোও আসলে নিখুঁত জ্যামিতিক ঘনক।
গোলকগোলক৩ডি
গোলক হলো একটা ত্রিমাত্রিক আকৃতি যেখানে কেন্দ্র থেকে প্রতিটি পৃষ্ঠবিন্দুর দূরত্ব সমান - যেমন ফুটবল বা মার্বেল।
মজার তথ্যসমান আয়তনের সব আকৃতির মধ্যে গোলকেরই সবচেয়ে কম পৃষ্ঠতল থাকে - তাই সাবানের বুদবুদ সবসময় গোল হয়ে যায়, নিজে থেকেই সবচেয়ে কম শক্তি খরচের আকৃতি খুঁজে নেয়।
সিলিন্ডারসিলিন্ডার৩ডি
সিলিন্ডার দেখতে একটা টিনের ক্যান বা বাঁশের খুঁটির মতো - দুই মাথায় গোল তল, মাঝে সোজা পাশ।
মজার তথ্যকোমল পানীয়ের ক্যান সিলিন্ডার আকৃতির কারণ এই আকৃতি সবচেয়ে কম ধাতু দিয়ে সবচেয়ে বেশি তরল ধরে রাখতে পারে।
ক্ষেত্রফলক্ষেত্রফলভেতরের জায়গা
একটা আকৃতির ভেতরের পুরো জায়গাটুকু কতটুকু, তা মাপাকে বলে ক্ষেত্রফল।
মজার তথ্যটাইলস বা কার্পেট কেনার আগে ঘরের ক্ষেত্রফল মাপা হয়, নইলে কম বা বেশি কিনে টাকা নষ্ট হতে পারে।
পরিসীমাপরিসীমাচারপাশের দৈর্ঘ্য
একটা আকৃতির চারপাশ ঘুরে আসতে মোট কতটুকু পথ হাঁটতে হবে, তা হলো পরিসীমা।
মজার তথ্যদৌড়ের ট্র্যাক ঠিক ৪০০ মিটার পরিসীমা মেপে বানানো হয়, যাতে একবার পুরো ঘুরলে ঠিক ৪০০ মিটার দৌড়ানো হয়।
আয়তনআয়তনভেতরে কতটুকু ধরে
একটা ৩ডি আকৃতির ভেতরে কতটুকু জায়গা আছে, অর্থাৎ কতটুকু পানি বা বালি ধরবে, তা হলো আয়তন।
মজার তথ্যপানির ট্যাংক কিনতে "লিটার" এককে যে সংখ্যা লেখা থাকে, সেটাই আসলে ট্যাংকের আয়তন।
বিভাগ ০৫পরিমাপ
নিচে ক্লিক করলে সরাসরি সত্যিকারের টুলে চলে যাবে - রুলার, দাঁড়িপাল্লা, ঘড়ি সবকিছুই আসল সংখ্যা দিয়ে কাজ করে।
এই বিভাগের প্রতিটি আইটেম আলাদা একটা চালু টুল: দৈর্ঘ্য, ওজন, আয়তন, সময় ও ঘড়ি, ক্যালেন্ডার, তাপমাত্রা, একক রূপান্তর, আন্দাজ করা। পরিমাপ টুলে যাও →
বিভাগ ০৬টাকা-পয়সা
স্লাইডার টানলে বয়াম-জারে কয়েন জমতে থাকে।
নোট চেনানোটকাগজের টাকা
বাংলাদেশে কাগজের টাকাকে বলে নোট - ২, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ আর ১০০০ টাকার নোট চলে।
মজার তথ্যবাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নোট ছাপানোর আগে পুরনো ছেঁড়া নোট পুড়িয়ে ফেলে, যাতে বাজারে মোট টাকার পরিমাণ ঠিক থাকে।
কয়েন চেনাকয়েনধাতুর টাকা
ছোট মূল্যের টাকা ধাতু দিয়ে বানানো হয়, একে বলে কয়েন - ১, ২ আর ৫ টাকার কয়েন চলে।
মজার তথ্যপুরনো দিনে ব্যবসায়ীরা কয়েন কামড়ে দেখতেন খাঁটি ধাতু কিনা - নরম ধাতু কামড়ে দাগ পড়ত, নকল কয়েনে পড়ত না।
কেনাকাটাকেনাকাটাদাম মেলানো
কেনাকাটার সময় জিনিসের দাম দেখে ঠিক ততটাকা বা তার বেশি টাকা বের করে দিতে হয়।
মজার তথ্যদোকানদাররা মনে মনে এত দ্রুত যোগ করতে পারেন কারণ প্রতিদিন শত শত বার এই অঙ্কটাই করেন।
বাকি টাকাবাকি টাকাফেরত হিসাব
বেশি টাকা দিলে দোকানদার বাকি টাকা ফেরত দেন - এই ফেরত টাকার হিসাবই হলো বিয়োগের আসল ব্যবহার।
মজার তথ্যভুল ফেরত টাকা বুঝে না নিলে প্রতিদিন অল্প অল্প করে অনেক টাকা হারাতে হতে পারে - তাই মিলিয়ে নেওয়া জরুরি অভ্যাস।
ছাড়ছাড়%
ছাড় মানে আসল দামের চেয়ে কম টাকায় জিনিস পাওয়া - দোকানে প্রায়ই "১০% ছাড়" লেখা দেখা যায়।
মজার তথ্য"৫০% ছাড়ের ওপর আরও ২০% ছাড়" মানে মোট ৭০% ছাড় নয় - এটা আসলে দাঁড়ায় প্রায় ৬০% ছাড়ে, অনেকেই এই ফাঁদে ভুল হিসাব করে বসেন।
বাজেটবাজেটআয়-খরচের হিসাব
বাজেট মানে আগে থেকে ঠিক করে রাখা, হাতের টাকা দিয়ে কী কী কিনবে আর কতটুকু জমাবে।
মজার তথ্যঅনেক পরিবার মাসের শুরুতেই আলাদা আলাদা বয়ামে ভাড়া, বাজার আর সঞ্চয়ের টাকা ভাগ করে রাখে - এটাও একরকম বাজেট করা।
সঞ্চয়সঞ্চয়জমানো
সঞ্চয় মানে এখনই সব টাকা খরচ না করে কিছুটা future-এর জন্য জমিয়ে রাখা।
মজার তথ্যপ্রতিদিন মাত্র ২ টাকা করে জমালে এক বছরে (৩৬৫ দিনে) জমে যায় ৭৩০ টাকা - ছোট অঙ্কও নিয়মিত জমলে বড় হয়ে যায়।
চাই বনাম দরকারচাই বনাম দরকারপার্থক্য বোঝা
"দরকার" মানে যা ছাড়া চলে না, যেমন খাবার বা বই। "চাই" মানে যা থাকলে ভালো লাগে, কিন্তু না থাকলেও চলে, যেমন নতুন খেলনা।
মজার তথ্যএকটা নতুন স্কুলব্যাগ "দরকার" হতে পারে পুরনোটা ছিঁড়ে গেলে, কিন্তু তাতে প্রিয় কার্টুনের ছবি থাকা মানে সেটা "চাই"-এর তালিকায়।
বিভাগ ০৭প্যাটার্ন ও যুক্তি
স্লাইডার টানলে ব্লকের ঢেউ উঁচু-নিচু হতে থাকে।
সংখ্যা ধারাসংখ্যা ধারাপরেরটা কী
সংখ্যা ধারা মানে একটা নিয়ম মেনে পরপর সাজানো সংখ্যা, যেমন ২, ৪, ৬, ৮ - প্রতিবার ২ করে বাড়ছে।
মজার তথ্যফিবোনাচি ধারায় (১, ১, ২, ৩, ৫, ৮...) প্রতিটা সংখ্যা আগের দুটোর যোগফল - এই নিয়মই দেখা যায় ফুলের পাপড়ি সাজানোয়।
আকৃতির প্যাটার্নআকৃতির প্যাটার্নপুনরাবৃত্তি
আকার বা রং একটা নিয়মে বারবার ফিরে আসাকে বলে আকৃতির প্যাটার্ন, যেমন লাল-নীল-লাল-নীল।
মজার তথ্যনকশিকাঁথার সেলাইয়ের নকশা, রিকশার রংচঙে ছবি - সবই আসলে গণিতের প্যাটার্নের নিয়ম মেনে বানানো হয়।
ধাঁধাধাঁধাযুক্তি দিয়ে সমাধান
ধাঁধা হলো এমন প্রশ্ন যার উত্তর সরাসরি বলা থাকে না, বরং যুক্তি খাটিয়ে বের করতে হয়।
মজার তথ্যদাবা খেলাও আসলে একটা বিশাল ধাঁধা - প্রতিটা চাল অন্তত কয়েক চাল আগে থেকে যুক্তি দিয়ে ভেবে রাখতে হয়।
সুডোকুসুডোকু৯×৯ ঘর
সুডোকু হলো একটা সংখ্যার ধাঁধা, যেখানে ৯×৯ ঘরের ছকে ১ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা এমনভাবে বসাতে হয় যাতে কোনো সারি, কলাম বা ৩×৩ বাক্সে একই সংখ্যা দুবার না আসে।
মজার তথ্যসুডোকুর নাম জাপানি শব্দ থেকে এসেছে যার মানে "সংখ্যা একবারই" - অর্থাৎ প্রতিটা সংখ্যা প্রতিটা লাইনে ঠিক একবার থাকতে হবে।
ম্যাজিক স্কয়ারম্যাজিক স্কয়ারসমান যোগফল
ম্যাজিক স্কয়ার হলো এমন একটা ছক যেখানে প্রতিটা সারি, কলাম আর কোনাকুনি লাইনের সংখ্যা যোগ করলে সবসময় একই যোগফল পাওয়া যায়।
মজার তথ্যপ্রায় ৪০০০ বছর আগে চীনে "লো শু" নামের একটা ম্যাজিক স্কয়ার আঁকা হয়েছিল বলে জানা যায় - এটাই লিখিত ইতিহাসে প্রথম পরিচিত ম্যাজিক স্কয়ার।
তানগ্রামতানগ্রাম৭ টুকরো
তানগ্রাম হলো সাতটা জ্যামিতিক টুকরো (ত্রিভুজ, বর্গ, সমান্তরাল) দিয়ে তৈরি একটা ধাঁধা, যা জোড়া দিয়ে নানা আকৃতি বানানো যায়।
মজার তথ্যতানগ্রাম চীনে জন্ম নিলেও গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে - অনেক দেশে একে "সাত ধাঁধার বোর্ড" বলা হয়।
গোলকধাঁধাগোলকধাঁধাপথ খোঁজা
গোলকধাঁধা হলো এমন একটা নকশা যেখানে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সঠিক পথ খুঁজে বের করতে হয়, ভুল পথে গেলে আটকে যেতে হয়।
মজার তথ্যপুরনো দিনের রাজবাড়ির বাগানে বড় বড় গোলকধাঁধা বানানো হতো গাছের সারি দিয়ে - অতিথিদের আনন্দ দিতে।
যুক্তির প্রশ্নযুক্তিযদি-তাহলে
যুক্তির প্রশ্নে দেওয়া কিছু তথ্য থেকে ধাপে ধাপে চিন্তা করে একটা নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হয়।
মজার তথ্যগোয়েন্দা গল্পে শার্লক হোমস যেভাবে ছোট ছোট প্রমাণ জোড়া দিয়ে আসল সত্যি বের করেন, সেটাও আসলে যুক্তির অঙ্কেরই এক রূপ।
বিভাগ ০৮তথ্য ও লেখচিত্র
স্লাইডার টানলে দণ্ডচিত্রের বারগুলো বেড়ে ওঠে।
ছবি-লেখচিত্রছবি-লেখচিত্রছবি দিয়ে গণনা
ছবি-লেখচিত্রে সংখ্যা না লিখে ছোট ছোট ছবি দিয়ে পরিমাণ দেখানো হয়, যেমন একটা আপেলের ছবি মানে ৫টা আপেল।
মজার তথ্যসংবাদপত্রে জনসংখ্যা বা পণ্য বিক্রির খবরে প্রায়ই ছোট মানুষ বা টাকার ছবি দিয়ে তুলনা দেখানো হয় - এটাও একধরনের ছবি-লেখচিত্র।
দণ্ডচিত্রদণ্ডচিত্রবার
দণ্ডচিত্রে বিভিন্ন লম্বা লম্বা বার (দণ্ড) দিয়ে সংখ্যা তুলনা করে দেখানো হয় - যত বড় সংখ্যা, বার তত লম্বা।
মজার তথ্যক্রিকেট খেলার রান-রেট গ্রাফ প্রায়ই দণ্ডচিত্র দিয়ে দেখানো হয় - কোন ওভারে বেশি রান উঠল তা এক নজরে বোঝা যায়।
পাইচার্টপাইচার্টবৃত্তের ভাগ
পাইচার্টে একটা গোল বৃত্তকে কয়েকটা টুকরোয় ভাগ করে দেখানো হয় - প্রতিটা টুকরো মোটের কতটুকু অংশ তা বোঝায়।
মজার তথ্যপাইচার্টের নাম "পাই" এসেছে এর গোল পাই-এর টুকরোর মতো দেখতে লাগার কারণে, গণিতের π (পাই) সংখ্যার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
রেখাচিত্ররেখাচিত্রসময়ের সাথে বদল
রেখাচিত্রে বিন্দুগুলো একটা রেখা দিয়ে জোড়া দিয়ে দেখানো হয় কোনো কিছু সময়ের সাথে সাথে কীভাবে বাড়ছে বা কমছে।
মজার তথ্যআবহাওয়ার পূর্বাভাসে সপ্তাহের তাপমাত্রা রেখাচিত্র দিয়েই দেখানো হয়, যাতে এক নজরে বোঝা যায় কবে গরম বাড়বে বা কমবে।
গড়গড়সবার সমান ভাগ
গড় বের করতে সব সংখ্যা যোগ করে, মোট কয়টা সংখ্যা আছে তা দিয়ে ভাগ করতে হয়।
মজার তথ্যপরীক্ষার ক্লাস গড় নম্বর বের হলে বোঝা যায় পুরো ক্লাস কেমন করল, কিন্তু এতে কোনো একজন ছাত্রের আসল ফলাফল আলাদাভাবে বোঝা যায় না।
মধ্যকমধ্যকমাঝের সংখ্যা
সব সংখ্যাকে ছোট থেকে বড় সাজিয়ে ঠিক মাঝখানে যে সংখ্যাটা থাকে, তাকে বলে মধ্যক।
মজার তথ্যকোনো এলাকার মানুষের আয়ের হিসাবে গড়ের বদলে প্রায়ই মধ্যক ব্যবহার করা হয়, কারণ একজন খুব ধনী মানুষ থাকলেই গড় আয় ভুলভাবে অনেক বেড়ে যেতে পারে।
সম্ভাবনাসম্ভাবনাকতটা হতে পারে
সম্ভাবনা বলে দেয় কোনো একটা ঘটনা ঘটার সুযোগ কতটুকু - নিশ্চিত ঘটবে থেকে একদম ঘটবে না, এই পুরো সীমার মধ্যে থাকে।
মজার তথ্যআবহাওয়ার পূর্বাভাসে "৭০% বৃষ্টির সম্ভাবনা" মানে একই রকম দিনগুলোর মধ্যে প্রায় ৭০ ভাগ দিনেই বৃষ্টি হয়েছে বলে দেখা গেছে।
জরিপ করাজরিপতথ্য জোগাড়
জরিপ মানে অনেক মানুষকে একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে তাদের উত্তরগুলো জোগাড় করা, যাতে পরে সেগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করা যায়।
মজার তথ্যনির্বাচনের আগে সংবাদমাধ্যম যে "জনমত জরিপ" প্রকাশ করে, তা আসলে হাজার হাজার মানুষের উত্তর জোগাড় করে বানানো একটা ছবি, পুরো দেশের মানুষের মতামত নয়।
বিভাগ ০৯বীজগণিতের হাতেখড়ি
স্লাইডার টানলে দাঁড়িপাল্লার এক পাশের ওজন বাড়ে - পাল্লা হেলে যায়, সমান হলে সোজা থাকে।
অজানা রাশিঅজানা রাশিx
অজানা রাশি মানে এমন একটা সংখ্যা যা এখনও জানা নেই, তাকে বোঝাতে সাধারণত x অক্ষর ব্যবহার করা হয়।
মজার তথ্যগোয়েন্দা গল্পে অজানা আসামিকে যেমন "মিস্টার এক্স" বলা হয়, গণিতেও অজানা সংখ্যাকে ঠিক একই কারণে x বলা হয়।
সরল সমীকরণসমীকরণ=
সমীকরণ হলো এমন একটা বাক্য যেখানে সমান চিহ্নের (=) দুই পাশ সবসময় সমান থাকে, যেমন x+৩=৮।
মজার তথ্যরান্নার রেসিপি বদলানোর সময়ও মানুষ না বুঝেই সমীকরণ সমাধান করে - "দ্বিগুণ মানুষের জন্য রাঁধতে সব উপকরণ দ্বিগুণ লাগবে" এটাও একটা সমীকরণ।
সূত্রসূত্রসাধারণ নিয়ম
সূত্র হলো একটা সাধারণ নিয়ম যা অক্ষর আর চিহ্ন দিয়ে লেখা হয়, যাতে একই ধরনের সব সমস্যায় সেটা ব্যবহার করা যায়।
মজার তথ্যরান্নাঘরের রেসিপিও আসলে একধরনের সূত্র - উপকরণের পরিমাণ বদলে গেলেও ধাপগুলো (নিয়মটা) একই থাকে।
চলকচলকবদলাতে পারা সংখ্যা
চলক হলো এমন একটা অক্ষর (যেমন x বা y) যার মান বদলাতে পারে - বিভিন্ন সময়ে এটা বিভিন্ন সংখ্যা বোঝাতে পারে।
মজার তথ্যদোকানে জিনিসের দাম একটা চলক - প্রতিদিন বাজারের অবস্থা অনুযায়ী সবজির দাম বদলাতে পারে, ঠিক যেমন গণিতের চলক।
লেখচিত্রে সরলরেখালেখচিত্রে সরলরেখাy=mx+c
দুটো চলকের (x আর y) সম্পর্ক যখন একটা সরলরেখা দিয়ে দেখানো যায়, তখন তাকে বলে সরলরৈখিক সম্পর্ক।
মজার তথ্যট্যাক্সির ভাড়ার হিসাব (শুরুর ভাড়া + প্রতি কিলোমিটারে বাড়তি টাকা) আসলে একটা সরলরৈখিক সম্পর্ক - গ্রাফে আঁকলে একটা সোজা রেখা হবে।
ঘাত ও মূলঘাতমূল
ঘাত মানে কোনো সংখ্যাকে নিজের সাথে বারবার গুণ করা - ৩² মানে ৩×৩=৯। মূল হলো এর উল্টো কাজ, ৯ এর বর্গমূল হলো ৩।
মজার তথ্যদাবার বোর্ডের ৬৪টা ঘরে ১ থেকে শুরু করে প্রতি ঘরে দ্বিগুণ দানা রাখলে শেষ ঘরে (২⁶³) সংখ্যাটা পৃথিবীর মোট চালের চেয়েও বেশি হয়ে যাবে।