পসরা / লেখা / গ্রহ, চাঁদ ও তারা
গ্রহ, চাঁদ ও তারা
কৃষ্ণগহ্বর কি সবকিছু গিলে খায়?
সিনেমায় কৃষ্ণগহ্বরকে মহাকাশের ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের মতো দেখানো হয়। বাস্তবে তার আচরণ মহাকর্ষের নিয়ম মেনেই চলে।
কৃষ্ণগহ্বর এমন একটি অঞ্চল, যার ভেতরের মহাকর্ষ এত প্রবল যে ঘটনা দিগন্ত পেরিয়ে আলোও বাইরে ফিরতে পারে না। তবে দূরের বস্তু সে নিজে থেকে টেনে নেয় না; দূরত্বে তার মহাকর্ষ অন্য একই ভরের বস্তুর মতোই কাজ করে।
সহজ করে ধারণাটি
কৃষ্ণগহ্বর এমন একটি অঞ্চল, যার ভেতরের মহাকর্ষ এত প্রবল যে ঘটনা দিগন্ত পেরিয়ে আলোও বাইরে ফিরতে পারে না। তবে দূরের বস্তু সে নিজে থেকে টেনে নেয় না; দূরত্বে তার মহাকর্ষ অন্য একই ভরের বস্তুর মতোই কাজ করে।
কোনো বস্তু যদি খুব কাছে চলে আসে বা তার কক্ষপথ হারায়, তখন কৃষ্ণগহ্বরের কাছে পড়তে পারে। কিন্তু যথেষ্ট দূরে থাকলে নক্ষত্র বা গ্রহ কক্ষপথে থাকতে পারে। কৃষ্ণগহ্বরকে সরাসরি দেখা কঠিন; আশপাশের গরম গ্যাস ও নক্ষত্রের গতির প্রভাব থেকে তার উপস্থিতি বোঝা যায়।
একটি পরিচিত উদাহরণ
সূর্যকে একই ভরের কৃষ্ণগহ্বর দিয়ে কল্পনায় বদলালেও দূরের গ্রহের মহাকর্ষীয় কক্ষপথ প্রায় একই থাকত। তবে আলো-তাপের উৎস হারিয়ে পৃথিবীর পরিবেশ সম্পূর্ণ বদলে যেত।
নিজে দেখে শেখো
কৃষ্ণগহ্বরের ছবিতে উজ্জ্বল বলয় দেখলে মনে রেখো, সেটি কৃষ্ণগহ্বরের পৃষ্ঠ নয়; উত্তপ্ত পদার্থ ও বাঁকানো আলোর দৃশ্য।
সংক্ষেপে কিছু প্রশ্ন
কৃষ্ণগহ্বর কি আলোও বের হতে দেয় না?
ঘটনা দিগন্তের ভেতর থেকে আলো বাইরে যেতে পারে না। দূর থেকে কৃষ্ণগহ্বরের আশপাশের পদার্থ ও আলোর প্রভাব দেখা যায়।