গণিত ভুবন · বিভাগ পরিচিতি
জ্যামিতি
জ্যামিতি মুখস্থ করার জিনিস নয়, নেড়েচেড়ে দেখার জিনিস। বিন্দুটা সরালে কোণ বদলায়, বাহু বাড়ালে ত্রিভুজ একসময় বৃত্ত হয়ে যায়, কোনা টানলে ক্ষেত্রফল আর পরিসীমা আলাদা আলাদা ভাবে বদলায়। নিচের সবগুলোই টেনে দেখা যায়।
০১ বিন্দু, রেখা ও কোণ
তিনটে বিন্দু আছে - ক, খ আর গ। যেকোনোটা ধরে টানো। দুই বিন্দু মিললে রেখাংশ হয়, তিনটে মিললে কোণ। খ-এর কাছে কোণটা কত ডিগ্রি, নিচে সবসময় লেখা থাকবে।
০২ ত্রিভুজ থেকে বৃত্ত পর্যন্ত
বাহুর সংখ্যা টেনে বাড়াও। তিনটে বাহু মানে ত্রিভুজ, চারটে মানে চতুর্ভুজ, তারপর পঞ্চভুজ, ষড়ভুজ - বহুভুজ। বাড়াতে বাড়াতে দেখো একসময় সেটা বৃত্তের মতো হয়ে যায়।
০৩ প্রতিসাম্য
একটা আকৃতির মাঝ দিয়ে যদি এমন একটা রেখা টানা যায় যে দুই পাশ হুবহু এক, সেটাই প্রতিসাম্যের রেখা। আয়নাটা ঘুরিয়ে দেখো কোন কোন কোণে দুই পাশ মিলে যায়।
০৪ ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা
কোনাটা ধরে টানো। ভেতরের ছোট ঘরগুলো গোনো - ওটাই ক্ষেত্রফল। আর চারপাশের দাগটা হাঁটলে যতটা পথ, ওটা পরিসীমা। দুটো একসাথে বাড়ে না, সেটাই মজার।
০৫ ঘনক, গোলক, সিলিন্ডার ও আয়তন
সমতল আকৃতির ক্ষেত্রফল থাকে, ঘন বস্তুর থাকে আয়তন - ভেতরে কতটুকু জায়গা। একটা বস্তু বাছো, তারপর মাপটা টেনে বদলাও। সূত্রটা সংখ্যাসহ নিচে দেখাবে।