ভুবন / পদার্থবিজ্ঞান / সরল যন্ত্র
পদার্থবিজ্ঞান ভুবন · বিভাগ পরিচিতি
সরল যন্ত্র
সরল যন্ত্র বল কমায় না, বলটাকে ছড়িয়ে দেয়। কম বল লাগে, বদলে বেশি পথ পাড়ি দিতে হয় - গুণফলটা একই থাকে। নিচের আটটার প্রতিটাই টেনে দেখা যায়, আর প্রতিটা সংখ্যা সত্যিকারের হিসাব থেকে আসে।
০১ লিভার
ত্রিভুজ আলম্বটা টেনে সরাও। বোঝার দিকে সরালে তোমার বল কমে যাবে, কিন্তু হাতটা তত বেশি নামাতে হবে।
০২ কপিকল
রশির মাথাটা নিচে টানো - বোঝা উঠবে। কয়টা রশি বোঝাটাকে ধরে আছে, বল ঠিক তত ভাগ হয়ে যায়।
০৩ ঢালু তল
ঢালটার মাথা টেনে লম্বা করো। উচ্চতা একই থাকবে, কিন্তু ঢাল যত লম্বা, ঠেলতে তত কম বল লাগবে।
০৪ স্ক্রু
প্যাঁচের ফাঁক টেনে বদলাও। ডানের ছবিটা দেখো - স্ক্রুর প্যাঁচ আসলে একটা ঢালু তল, কেবল গোল করে জড়ানো।
০৫ কীলক
কীলকটা কাঠের ভেতর ঠেলে দাও, আর মাথাটা সরু-মোটা করে দেখো। সরু কীলক কম বলে বেশি ফাঁক করে।
০৬ চাকা ও অক্ষ
কুয়ার চাকাটা ধরে ঘোরাও - বালতি উঠবে। চাকা যত বড়, হাতে তত কম বল, কিন্তু হাত ঘোরে তত লম্বা পথ।
০৭ গিয়ার
বড় গিয়ারটা ধরে ঘোরাও - পাশেরগুলোও ঘুরবে, উল্টো দিকে। দাঁত যত কম, গিয়ার তত দ্রুত ঘোরে।
০৮ যান্ত্রিক সুবিধা
যান্ত্রিক সুবিধা মানে একটাই সংখ্যা: বোঝা ভাগ তোমার বল। উপরের সাতটাই এই এক নিয়মে চলে - যতগুণ বল বাঁচে, ততগুণ পথ বেশি পাড়ি দিতে হয়। নিচের হিসাবটা নিজে কষে দেখো।
| যন্ত্র | যান্ত্রিক সুবিধা | যে দাম দিতে হয় |
|---|