ভুবন / পদার্থবিজ্ঞান / আলো
পদার্থবিজ্ঞান ভুবন · বিভাগ পরিচিতি
আলো
আলো সোজা চলে - এই একটা কথা থেকেই ছায়া, আয়না, লেন্স, রংধনু সব বেরিয়ে আসে। নিচের প্রতিটাতে রশ্মিটা সত্যিকারের নিয়ম মেনে আঁকা হয়েছে, তাই যা টানবে তাই ঘটবে।
০১ সরলরেখায় চলা ও ছায়া
টর্চ থেকে আলো সোজা যায়, বাঁক নেয় না। মাঝের জিনিসটা ধরে টানো - টর্চের যত কাছে নেবে, ছায়া তত বড় হবে। কেন, সেটা রশ্মিগুলো দেখলেই বোঝা যায়।
০২ প্রতিফলন, সমতল ও গোলীয় আয়না
আয়নায় পড়া রশ্মি যে কোণে আসে, ঠিক সেই কোণেই ফিরে যায়। রশ্মিটা ঘুরিয়ে দুটো কোণ মিলিয়ে দেখো। তারপর আয়নাটা বাঁকিয়ে দেখো সমান্তরাল রশ্মিগুলোর কী হয়।
০৩ প্রতিসরণ ও লেন্স
আলো এক মাধ্যম থেকে আরেকটায় ঢুকলে গতি বদলায়, আর তাতেই বেঁকে যায়। সেজন্যই পানিতে রাখা কাঠি ভাঙা দেখায়। রশ্মিটা ঘুরিয়ে দেখো কতটা বাঁকছে।
লেন্স
০৪ রংধনু ও রঙের মিশ্রণ
সাদা আলো আসলে সাত রঙের মিশেল। প্রিজমে ঢুকলে প্রতিটা রং আলাদা কোণে বাঁকে, তাই আলাদা হয়ে যায়। নিচের তিনটে হাতল দিয়ে উল্টোটাও করে দেখো - রং মিশিয়ে সাদা বানাও।
০৫ চোখ কীভাবে দেখে ও বর্ণান্ধতা
চোখ একটা লেন্সওয়ালা ক্যামেরা। জিনিসটা কাছে এলে লেন্স মোটা হয়, দূরে গেলে পাতলা - তাতেই ছবিটা রেটিনার উপর ঠিক জায়গায় পড়ে। জিনিসটা টেনে সরাও।
বর্ণান্ধতা
রেটিনায় তিন রকম কোন থাকে - লাল, সবুজ আর নীলের জন্য। কারও কারও একটা ঠিকমতো কাজ করে না, তখন কিছু রং আলাদা করা কঠিন হয়ে যায়। বোতামে চেপে দেখো ছবিটা তখন কেমন লাগে।