ভাষা ভুবন · বিভাগ পরিচিতি
হাতের লেখা
হাতের লেখা চোখে দেখে শেখা যায় না, হাত নাড়িয়ে শিখতে হয়। নিচের পাতাগুলোতে আঙুল বা মাউস দিয়ে সরাসরি লেখা যায় - প্রতিবার কতটা মিলল সেটা মেপে বলে দেবে।
এই পাতাটা আঙুল বা মাউস দিয়ে করতে হয় - কিবোর্ডে লেখা যায় না, কারণ হাতের লেখা হাতের কাজ। তবে প্রতিটা বর্ণের চেহারা আর মাত্রার নিয়ম বোতাম চেপে দেখে নেওয়া যায়।
০১ মাত্রা টানা
বাংলা লেখার মাথার উপরের টানা দাগটার নাম মাত্রা। প্রায় সব বর্ণেরই মাত্রা আছে, আর সেটা টানা হয় সবার শেষে। ফিকে দাগটার উপর দিয়ে বাঁ থেকে ডানে একটানে টানো।
০২ বর্ণের স্ট্রোক ক্রম
একটা বর্ণ বাছো। দেখাও চাপলে আগে বর্ণের শরীরটা আসবে, তারপর মাত্রা - এই ক্রমেই লিখতে হয়। তারপর নিজে ফিকে বর্ণটার উপর দিয়ে লেখো।
০৩ কার বসানো
বর্ণটা আগে থেকেই লেখা আছে। এখন শুধু কারের চিহ্নটা তার গায়ে বসাও - ঠিক জায়গায়, ঠিক মাপে। কার বদলে বদলে দেখো কোনটা কোথায় বসে।
০৪ শব্দ লেখা
একটা গোটা শব্দ। খেয়াল করো মাত্রাগুলো কীভাবে একটানা হয়ে যায় - বাংলায় শব্দের মাত্রা প্রায় জোড়া লেগে থাকে, সেটাই লেখাটাকে বাংলা দেখায়।
০৫ বাক্য লেখা
এবার পুরো একটা বাক্য, চার দাগের কাগজে। শব্দের মাঝে ফাঁক সমান রাখা আর সব বর্ণ একই উচ্চতায় বসানো - এই দুটোই হাতের লেখা সুন্দর দেখানোর আসল কাজ।
০৬ ছাপার যোগ্য পাতা
পর্দায় আঙুল বোলানো শুরু, কিন্তু হাতের লেখা আসলে কাগজে কলমে হয়। নিচের বোতামে চাপলে এই মুহূর্তে বাছা বর্ণ বা শব্দ দিয়ে একটা অনুশীলনীর পাতা তৈরি হবে - ফিকে লেখা সহ, যাতে তার উপর দিয়ে পেন্সিল চালানো যায়।